অযাচিত কোড
আপনি শুরু না করলে কোড ব্যবহার বা শেয়ার করবেন না। নিজের পরিচিত প্রবেশপথে নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন।
সুরক্ষা মানে শুধু শক্ত পাসওয়ার্ড নয়। ভুল গন্তব্য চেনা, কোড নিজের কাছে রাখা এবং সন্দেহ দেখা দিলে সঠিক ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি।

এক পাসওয়ার্ড বহু সেবায় ব্যবহার করলে একটি তথ্যফাঁস অন্য অ্যাকাউন্টেও প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সেবায় স্বতন্ত্র পাসওয়ার্ড রাখুন। সংযুক্ত ইমেইলের নিরাপত্তা আগে গুরুত্ব দিন, কারণ পুনরুদ্ধারের বার্তা সেখানে যেতে পারে।
ফিশিং বার্তা পরিচিত নাম বা লোগো ব্যবহার করতে পারে। জরুরি সময়সীমা, পুরস্কার বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে তথ্য চাইলে থামুন। বার্তার লিংকের বদলে পরিচিত ঠিকানা নিজে খুলুন।
ডিভাইসে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও অনুমতিও ঝুঁকি তৈরি করে। স্ক্রিন শেয়ারিং বা রিমোট কন্ট্রোল চালু রেখে কোনো গোপন তথ্য লিখবেন না। হালনাগাদ সফটওয়্যার ও স্ক্রিনলক মৌলিক সুরক্ষা দেয়।
সন্দেহের সময় সব প্রমাণ মুছে ফেলার বদলে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা ও তথ্য নোট করাকে অগ্রাধিকার দিন।
আপনি শুরু না করলে কোড ব্যবহার বা শেয়ার করবেন না। নিজের পরিচিত প্রবেশপথে নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন।
ইমেইল বা পাসওয়ার্ড বদলের অপ্রত্যাশিত বার্তা পেলে সংযুক্ত ইমেইল আগে সুরক্ষিত করুন।
অচেনা ব্যক্তিকে স্ক্রিন নিয়ন্ত্রণ দেবেন না। সহায়তার নামে কোড চাইলে কথোপকথন থামান।

যে ডিভাইসে অনুপ্রবেশের সন্দেহ, সেটি দিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড লিখলে পরিবর্তনও ধরা পড়তে পারে। নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা পরিচ্ছন্ন ডিভাইস ব্যবহার করুন। সংশ্লিষ্ট সেবায় উপলব্ধ থাকলে অপরিচিত সেশন বন্ধ করুন।
একটি ঘটনার নোটে সময়, পরিবর্তনের ধরন ও সংশ্লিষ্ট বার্তা রাখুন। প্রকাশ্য পোস্টে সংবেদনশীল স্ক্রিনশট দেবেন না। সংশ্লিষ্ট সেবার সহায়তায় কেবল সমস্যা বোঝার জন্য প্রয়োজনীয় অংশ দিন।
সন্দেহজনক কথোপকথন, লিংক ও রিমোট অ্যাক্সেস থামান।
পরিচ্ছন্ন ডিভাইস থেকে ইমেইল ও প্রাসঙ্গিক পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত করুন।
সময় ও লক্ষণ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সেবার সহায়তা নিন।
না। একবারের কোড নিজের সংশ্লিষ্ট ফর্মেই ব্যবহার করুন।
না। নাম ও লোগো নকল করা যায়; ঠিকানা ও অনুরোধের প্রকৃতি যাচাই করুন।
সংযুক্ত ইমেইল, ডিভাইস ও অচেনা সেশনও পরীক্ষা করা দরকার।
সাধারণ প্রশ্ন ইমেইলে করা যায়। অ্যাকাউন্ট উদ্ধার সংশ্লিষ্ট সেবার মাধ্যমে করুন এবং গোপন তথ্য পাঠাবেন না।